Trump-এর tariff policy আমেরিকান শিল্প সুরক্ষা ও বাণিজ্য আলোচনায় বড় হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।
একটি পণ্যের দাম বাড়লেই যে বিদেশি দেশটি তার দাম বাড়িয়েছে—বিষয়টি এত সহজ নয়। অনেক সময় দাম বাড়ার পেছনে থাকে এমন একটি সিদ্ধান্ত, যার নাম tariff।
Donald Trump -এর দ্বিতীয় মেয়াদে tariff আবারও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে। Canada থেকে China, Europe থেকে Asia—বিভিন্ন দেশের পণ্যে কখনো নতুন শুল্ক, কখনো বাড়তি শুল্ক, আবার কখনো সেই শুল্ক কমানো বা স্থগিত করার খবর আসছে। আগস্ট ২০২৬-এও Canada-র কিছু পণ্যে প্রস্তাবিত ৫০ শতাংশ অতিরিক্ত tariff নিয়ে Washington ও Ottawa-র মধ্যে দর-কষাকষি চলছে।
কিন্তু Trump-এর tariff কী? কেন তিনি এত শুল্ক বসাচ্ছেন? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—এই tariff-এর টাকা আসলে কে দেয়?
Trump-এর Tariff কী?
সহজ ভাষায়, tariff হলো বিদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর সরকারের আরোপ করা শুল্ক।
ধরা যাক, একটি মার্কিন কোম্পানি বিদেশ থেকে ১০০ ডলারের পণ্য আমদানি করল। ওই পণ্যের ওপর যদি ২০ শতাংশ tariff থাকে, তাহলে সাধারণ হিসাবে আমদানিকারককে আরও ২০ ডলার customs duty দিতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে এই অর্থ U.S. Customs and Border Protection (CBP) -এর মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়। অর্থাৎ বিদেশি সরকার সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে tariff-এর টাকা পাঠায় না। পণ্য আমদানি করা মার্কিন importer-ই customs-এর কাছে duty জমা দেয়।
তবে এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য আছে।
আইনগতভাবে tariff কে দেয় এবং শেষ পর্যন্ত tariff-এর অর্থনৈতিক বোঝা কে বহন করে—দুটি এক বিষয় নয়।
তাহলে Trump কেন এত tariff বসাচ্ছেন?
Trump-এর যুক্তির কেন্দ্রে রয়েছে America First।
তাঁর প্রশাসনের বক্তব্য হলো, বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সম্পর্ক অসম হয়ে গেছে। অন্য দেশগুলো আমেরিকান পণ্যের ওপর বেশি tariff বা non-tariff barrier রাখে, অথচ যুক্তরাষ্ট্র তুলনামূলকভাবে উন্মুক্ত বাজার বজায় রাখে।
২০২৫ সালের April-এ Trump প্রশাসন reciprocal tariff policy ঘোষণা করার সময় বলেছিল, বড় ও দীর্ঘস্থায়ী U.S. goods trade deficit, unequal tariff rates এবং non-tariff barriers আমেরিকার manufacturing base ও supply chains-কে দুর্বল করেছে।
White House-এর Reciprocal Tariff Policy — Trump প্রশাসনের tariff-এর মূল যুক্তি ও লক্ষ্য।
এই নীতির পেছনে মোটামুটি চারটি বড় লক্ষ্য দেখা যায়:
- আমেরিকান শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়া
- বিদেশি পণ্যের ওপর নির্ভরতা কমানো
- যুক্তরাষ্ট্রে manufacturing ফিরিয়ে আনা
- বাণিজ্য আলোচনায় Washington-এর leverage বাড়ানো
Trump প্রশাসন tariffs-কে শুধু রাজস্ব আদায়ের মাধ্যম হিসেবে নয়, trade negotiation এবং industrial policy-এর হাতিয়ার হিসেবেও ব্যবহার করছে।
Trump-এর tariff কি শুধু বিদেশি দেশকে শাস্তি দেওয়ার জন্য?
না।
এখানেই Trump-এর tariff policy-র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি রয়েছে।
Tariff দিয়ে একটি বিদেশি পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল হয়ে যেতে পারে। তখন একই ধরনের আমেরিকান পণ্য প্রতিযোগিতায় সুবিধা পেতে পারে।
ধরা যাক, একটি বিদেশি কোম্পানির পণ্য আমেরিকায় ১০০ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। তার ওপর ২৫ শতাংশ tariff বসলে আমদানিকারকের খরচ বাড়বে।
তখন তিনটি ঘটনা ঘটতে পারে।
প্রথমত, importer নিজেই বাড়তি খরচ বহন করতে পারে।
দ্বিতীয়ত, বিদেশি exporter তার দাম কিছুটা কমিয়ে tariff-এর বোঝা ভাগ করে নিতে পারে।
তৃতীয়ত, importer বাড়তি খরচের একটি অংশ বা পুরোটা ক্রেতার ওপর চাপিয়ে দিতে পারে।
এই কারণেই tariff-এর প্রভাব বুঝতে শুধু “কত শতাংশ শুল্ক?” জানা যথেষ্ট নয়।
জানতে হবে—শেষ পর্যন্ত সেই খরচ কোথায় গিয়ে থামছে।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন: Trump-এর tariff-এর টাকা কে দেয়?
এখানে একটি প্রচলিত ভুল ধারণা আছে।
অনেকে মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি China বা অন্য কোনো দেশের পণ্যে ৩০ শতাংশ tariff বসায়, তাহলে চীনা সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে সেই ৩০ শতাংশ টাকা দেয়।
বাস্তবে তা নয়।
U.S. importer প্রথমে tariff-এর টাকা মার্কিন সরকারকে দেয়। U.S. Customs and Border Protection-এর নিয়ম অনুযায়ী, আমদানিকারককে পণ্য প্রবেশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে estimated duties জমা দিতে হয়।
কিন্তু এরপর সেই importer কী করে?
সে চাইলে:
নিজের profit margin কমাতে পারে → বিদেশি supplier-এর কাছ থেকে দাম কমাতে পারে → অথবা ক্রেতার ওপর বাড়তি দাম চাপাতে পারে।
অর্থাৎ আইনগত payer হলো importer, কিন্তু economic burden একাধিক পক্ষের মধ্যে ভাগ হতে পারে।
বাস্তবে কি আমেরিকানরাই বেশি খরচ দেয়?
সাম্প্রতিক গবেষণাগুলো বলছে, অনেক ক্ষেত্রে tariff-এর বড় অংশ শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা ও ভোক্তার ওপর পড়ে।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে Federal Reserve Bank of New York-এর গবেষকরা ২০২৫ সালের tariff নিয়ে বিশ্লেষণ প্রকাশ করেন। তাঁদের হিসাবে, ওই সময়ের tariff-এর অর্থনৈতিক বোঝার প্রায় ৯০ শতাংশ U.S. firms এবং consumers-এর ওপর পড়েছিল। গবেষণায় দেখা যায়, ২০২৫ সালের বিভিন্ন সময়ে tariff burden-এর ৮৬ থেকে ৯৪ শতাংশ পর্যন্ত U.S. importers-এর ওপর ছিল।
অর্থাৎ Trump যদি কোনো বিদেশি পণ্যে ২৫ শতাংশ tariff বসান, তার অর্থ এই নয় যে বিদেশি কোম্পানি ২৫ শতাংশ কম দামে পণ্য বিক্রি করবে এবং আমেরিকান ক্রেতা আগের দামেই পণ্য পাবেন।
অনেক ক্ষেত্রে উল্টোটা হয়।
Import cost বাড়ে → কোম্পানির cost বাড়ে → wholesale price বাড়ে → retail price বাড়তে পারে।
তাহলে Trump যখন বলেন “বিদেশিরা tariff দিচ্ছে”—সেটা কতটা ঠিক?
এখানে ভাষার পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ।
Trump প্রশাসনের রাজনৈতিক বক্তব্যে tariffs-কে প্রায়ই বিদেশি দেশগুলোর ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক চাপ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু customs payment-এর সরাসরি payer বিদেশি সরকার নয়—মার্কিন importer।
এই পার্থক্যটি Council on Foreign Relations (CFR)-ও ব্যাখ্যা করেছে। তাদের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, CBP সরাসরি U.S. importer-কে tariff bill করে; পরে exporter, importer এবং consumer—তিন পক্ষের মধ্যে অর্থনৈতিক বোঝা ভাগ হতে পারে।
Council on Foreign Relations-এর “Who Pays Trump’s Tariffs?” — tariff-এর legal payer ও economic burden-এর পার্থক্য।
তাই সবচেয়ে নির্ভুল উত্তর হলো:
বিদেশি সরকার সরাসরি tariff-এর টাকা দেয় না। U.S. importer সরকারকে দেয়। এরপর সেই খরচের কতটা consumer, importer বা foreign exporter বহন করবে, তা বাজারের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে।
Tariff কি পণ্যের দাম বাড়ায়?
বাড়াতে পারে—এবং সাম্প্রতিক মার্কিন তথ্যেও এর প্রভাব দেখা গেছে।
Federal Reserve-এর July 2026 Monetary Policy Report বলেছে, ২০২৫ সালে tariff বৃদ্ধির পর কিছু আমদানিনির্ভর consumer goods-এর domestic prices বেড়েছিল। বিশেষ করে household appliances ও কিছু consumer electronics-এর মতো tariff-exposed category-তে price increases তুলনামূলক বেশি দেখা গেছে।
তবে এখানেও একটি সতর্কতা জরুরি।
প্রতিটি tariff সরাসরি একই পরিমাণে retail price বাড়ায় না।
কোন পণ্য, কোন দেশ, বাজারে কতটা competition, কোম্পানি কতটা margin ছাড়তে পারে এবং consumer কতটা দাম বাড়লেও কিনবে—এসবের ওপর ফলাফল নির্ভর করে।
একটি সহজ উদাহরণ
ধরা যাক, একটি বাংলাদেশি কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্রে ১০০ ডলারের একটি পণ্য রপ্তানি করে।
যুক্তরাষ্ট্র সেই পণ্যে ২০ শতাংশ tariff বসাল।
তাহলে আমদানির সময় U.S. importer-কে প্রায় ২০ ডলার duty দিতে হবে।
এখন তিনটি সম্ভাবনা:
Scenario 1: Importer নিজেই খরচ বহন করল
পণ্যের আমদানি খরচ হলো ১২০ ডলার।
কোম্পানি যদি নিজের profit margin কমায়, তাহলে consumer-এর দাম খুব বেশি নাও বাড়তে পারে।
Scenario 2: Exporter দাম কমাল
বিদেশি কোম্পানি যদি বাজার ধরে রাখতে পণ্যের দাম ১০০ থেকে ৯০ ডলারে নামিয়ে দেয়, তাহলে ২০ শতাংশ tariff-এর কিছু বোঝা exporter-এর ওপর চলে যায়।
Scenario 3: Consumer-এর ওপর খরচ চাপল
Importer যদি ২০ ডলারের বাড়তি খরচ retail price-এ যোগ করে, তাহলে consumer-কে বেশি দাম দিতে হবে।
বাস্তবে এই তিনটির মিশ্রণও হতে পারে।
New York Fed-এর ২০২৬ সালের গবেষণার ফলাফল দেখায়, ২০২৫ সালের tariff episode-এ বিদেশি exporters তুলনামূলকভাবে কম price adjustment করেছিল এবং tariff-এর বড় অংশ U.S. side-এ থেকে গিয়েছিল।
Trump কেন মনে করেন tariff আমেরিকার জন্য ভালো?
Trump-এর economic philosophy-তে একটি ধারণা খুব গুরুত্বপূর্ণ—যদি বিদেশি পণ্য আমেরিকায় খুব সহজে ও সস্তায় ঢোকে, তাহলে American manufacturing-এর ওপর চাপ তৈরি হতে পারে।
তাই tariff দিয়ে বিদেশি পণ্যের দাম বাড়ালে আমেরিকান উৎপাদকরা কিছুটা competitive advantage পেতে পারেন।
Trump প্রশাসন এই যুক্তির সঙ্গে manufacturing, supply-chain security এবং national security-কে একসঙ্গে যুক্ত করেছে। ২০২৬ সালের August-এ White House polysilicon ও drone-এর মতো কৌশলগত পণ্যে tariff আরোপের যুক্তি হিসেবে U.S. industrial base ও supply-chain security-এর কথা বলেছে।
অর্থাৎ Trump-এর কাছে tariff শুধু “বিদেশি পণ্যের ওপর কর” নয়।
এটি industrial policy + trade leverage + national security tool হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে।
Tariff কি trade deficit কমাতে পারে?
Trump-এর tariff policy-এর অন্যতম বড় লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের trade deficit কমানো।
তাঁর প্রশাসনের ২০২৫ সালের reciprocal tariff order-এ বলা হয়েছিল, বড় ও দীর্ঘস্থায়ী U.S. goods trade deficit-এর পেছনে non-reciprocal trade relationships, tariff differences এবং non-tariff barriers ভূমিকা রাখছে।
কিন্তু এখানে অর্থনীতির একটি জটিলতা আছে।
Trade deficit শুধু tariff-এর কারণে তৈরি হয় না।
দেশের savings, investment, government spending, exchange rate, consumer demand এবং global capital flows—সবই trade balance-এ ভূমিকা রাখে।
তাই tariff বাড়ালেই trade deficit একই অনুপাতে কমবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।
২০২৬ সালের একটি Tax Foundation analysis-ও বলছে, Trump-এর tariff-এর পর U.S. trade deficit-এ বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন দেখা যায়নি।
Trump-এর tariff এখন কতটা বড়?
এখানে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—Trump-এর tariff বলতে একটি মাত্র শুল্ক বোঝায় না।
পণ্যের ধরন, দেশের উৎস এবং কোন আইনি authority ব্যবহার করা হয়েছে—এসব অনুযায়ী tariff আলাদা হতে পারে।
২০২৬ সালের February-তে U.S. Supreme Court IEEPA-এর অধীনে প্রেসিডেন্টের tariff আরোপের ক্ষমতা সীমিত করে। এরপর Trump administration Section 301, Section 232 এবং অন্যান্য statutory authority ব্যবহার করে tariff policy চালিয়ে যায়। U.S. Trade Representative জানিয়েছে, বিদ্যমান Section 301 tariffs এবং sector-specific Section 232 tariffs বহাল রয়েছে; কিছু Chinese goods-এর Section 301 tariff ৭.৫ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত এবং কিছু sectoral Section 232 tariff ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।
এ কারণে “Trump-এর tariff ১০ শতাংশ” বা “Trump-এর tariff ৫০ শতাংশ”—এভাবে একটি মাত্র সংখ্যা দিয়ে পুরো policy বোঝানো যায় না।
কোন পণ্য, কোন দেশ এবং কোন আইনি ব্যবস্থার অধীনে tariff বসানো হয়েছে—সেটিই আসল।
Tariff-এর আরেকটি শক্তি: দর-কষাকষি
Trump-এর tariff policy-র একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো negotiating leverage।
কোনো দেশের ওপর tariff বাড়ানোর হুমকি দিয়ে Washington সেই দেশকে trade deal, market access, non-tariff barriers, supply chains বা অন্য কোনো বিষয়ে ছাড় দিতে চাপ দিতে পারে।
Canada-এর সাম্প্রতিক ঘটনাটি তার একটি উদাহরণ।
আগস্ট ২০২৬-এ Trump administration কিছু Canadian goods-এর ওপর ৫০ শতাংশ tariff বসানোর পরিকল্পনা করেছিল। পরে trade negotiations এগিয়ে যাওয়ায় সেটি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।
এখানে tariff শুধু tax নয়।
এটি negotiation-এর চাপও।
কিন্তু tariff-এর ঝুঁকিও আছে
Tariff দিয়ে দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হলেও এর কিছু ঝুঁকি রয়েছে।
প্রথমত, imported goods ও inputs-এর দাম বাড়তে পারে।
দ্বিতীয়ত, U.S. manufacturers যারা বিদেশি raw materials ব্যবহার করে, তাদের production cost বাড়তে পারে।
তৃতীয়ত, বিদেশি দেশগুলো পাল্টা tariff বসালে American exporters ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।
চতুর্থত, দীর্ঘমেয়াদে tariff যদি প্রতিযোগিতা কমিয়ে দেয়, তাহলে কিছু industry-তে efficiency ও innovation-এর ওপর চাপ তৈরি হতে পারে।
Federal Reserve -এর ২০২৬ সালের গবেষণা -তেও দেখা গেছে, tariff-exposed categories-এ household spending কমেছে এবং কিছু নিম্ন-আয়ের পরিবার তুলনামূলক বেশি welfare burden বহন করেছে।
তাই tariff-এর গল্পটি একদিকে American industry protection-এর গল্প, অন্যদিকে higher costs-এর ঝুঁকির গল্পও।
তাহলে Trump-এর Tariff শেষ পর্যন্ত কার জন্য?
উত্তরটি একেবারে সাদা-কালো নয়।
Trump-এর লক্ষ্য:
American manufacturing শক্তিশালী করা, trade relationships-এ reciprocity আনা, supply chains নিরাপদ করা এবং Washington-এর negotiating power বাড়ানো।
সম্ভাব্য সুবিধা:
কিছু domestic producer বিদেশি প্রতিযোগিতার বিরুদ্ধে সুবিধা পেতে পারে। সরকার tariff revenue পেতে পারে। কিছু বিদেশি কোম্পানি U.S.-এ production সরিয়ে আনতেও উৎসাহিত হতে পারে।
সম্ভাব্য খরচ:
Importers-এর খরচ বাড়তে পারে, consumer prices বাড়তে পারে এবং tariff retaliation হলে U.S. exporters ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।
অর্থাৎ tariff হলো এমন একটি অর্থনৈতিক অস্ত্র, যার লাভ ও খরচ একই জায়গায় পড়ে না।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা: “Tariff কে দেয়?”—এক লাইনের উত্তর
যদি প্রশ্ন হয়—
“Trump বিদেশি দেশের ওপর tariff বসালে টাকা কে দেয়?”
উত্তর:
আইনগতভাবে U.S. importer সরকারকে tariff দেয়।
আর যদি প্রশ্ন হয়—
“শেষ পর্যন্ত tariff-এর খরচ কে বহন করে?”
উত্তর:
Importer, U.S. businesses, consumers এবং কখনো foreign exporters—সবাই কিছু না কিছু অংশ বহন করতে পারে। কোন পক্ষ কতটা বহন করবে, তা বাজারের প্রতিক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে।
সাম্প্রতিক New York Fed গবেষণায় ২০২৫ সালের tariff episode-এ বোঝার বড় অংশ U.S. firms ও consumers-এর ওপর পড়েছিল।
শেষ কথা
Trump-এর Tariff শুধু বিদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক নয়। এটি তাঁর “America First” অর্থনৈতিক দর্শনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।
Trump মনে করেন, tariff দিয়ে বিদেশি প্রতিযোগিতাকে চাপে ফেলে আমেরিকান manufacturing, jobs এবং supply chains শক্তিশালী করা যায়। তাঁর প্রশাসন একই সঙ্গে tariff-কে trade negotiation ও national security-এর সঙ্গেও যুক্ত করছে।
কিন্তু tariff-এর আরেকটি বাস্তবতা আছে।
বিদেশি দেশকে tariff-এর বিল ধরিয়ে দিলেই বিলটি বিদেশিরাই পরিশোধ করে না।
প্রথমে বিল যায় U.S. importer-এর কাছে। তারপর সেই খরচের একটি অংশ কোম্পানি নিজেরা বহন করতে পারে, exporter-এর ওপর চাপাতে পারে, অথবা পণ্যের দাম বাড়িয়ে consumer-এর কাছে পাঠাতে পারে।
এই কারণেই Trump-এর tariff নিয়ে আসল প্রশ্ন শুধু—
“কত শতাংশ শুল্ক বসেছে?”
নয়।
বরং আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—
“এই শুল্কের খরচ শেষ পর্যন্ত কার পকেট থেকে বের হচ্ছে?”
Related Reading
Trump Biography — TheBuzzLens —ডোনাল্ড ট্রাম্প: ব্যবসায়ী থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট—এক বিতর্কিত ও প্রভাবশালী জীবনের শুরু।
MAGA কী? Trump-এর ‘America First’ রাজনীতির আসল অর্থ কী?
