ডলার, বৈশ্বিক রিজার্ভ কারেন্সি ও বিশ্ব অর্থনৈতিক শক্তির প্রতীকী চিত্র

ডলার কীভাবে বিশ্বের প্রধান Global Reserve Currency হয়ে উঠল এবং এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রভাব কীভাবে বিস্তৃত হলো।

Bretton Woods থেকে আজকের BRICS ও multipolar world—ডলার কীভাবে বিশ্বের প্রধান reserve currency হয়ে উঠল এবং কেন এখনো তার আধিপত্য এত শক্তিশালী?

২৫ আগস্ট, ২০২৬ | বাজলেন্স ডেস্ক

একটি দেশের মুদ্রা কীভাবে এমন শক্তিশালী হতে পারে যে পৃথিবীর অন্য প্রান্তের দেশও সেটি নিজের রিজার্ভে রাখে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ব্যবহার করে এবং সংকটের সময় নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে ধরে?

উত্তরটি শুধু ডলার নয়। এর পেছনে আছে যুদ্ধ, সোনা, বাণিজ্য, Bretton Woods, তেল, U.S. Treasury market, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সর্বোপরি—আস্থার একটি দীর্ঘ ইতিহাস।

আজও বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের সবচেয়ে বড় অংশ ডলারে রাখা হয়। সর্বশেষ IMF COFER তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে ঘোষিত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ৫৭.১৩ শতাংশ ছিল মার্কিন ডলারে। একই সময়ে ইউরোর অংশ ছিল প্রায় ২০ শতাংশের কাছাকাছি।

তাহলে ডলার কীভাবে বিশ্বশক্তির অস্ত্র হলো? আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—ডলারের এই আধিপত্য কি চিরস্থায়ী?

Global Reserve Currency কী?

কোনো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক যখন নিজের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে অন্য দেশের একটি মুদ্রা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে রাখে, সেই মুদ্রা আন্তর্জাতিক reserve currency হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তবে reserve currency মানে শুধু বিদেশি নোট জমিয়ে রাখা নয়। একটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা সাধারণত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ হিসেবে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে, cross-border payment-এ, ঋণ ও আন্তর্জাতিক বন্ডে, commodity-এর মূল্য নির্ধারণে, বৈদেশিক বিনিয়োগে এবং সংকটের সময় নিরাপদ সম্পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ একটি মুদ্রা যত বেশি আন্তর্জাতিক লেনদেনের কেন্দ্রে থাকে, তার network effect তত শক্তিশালী হয়।

ডলারের ক্ষেত্রে এই network effect অসাধারণভাবে বড়। Federal Reserve-এর সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ বলছে, ডলার এখনো বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন, আন্তর্জাতিক পেমেন্ট, official reserve holdings এবং dollar-denominated debt-এর ক্ষেত্রে প্রধান মুদ্রা।

Dollar-এর আগে পৃথিবী কিসে চলত?

ডলারের আধিপত্য বোঝার জন্য একটু পেছনে যেতে হবে। একসময় আন্তর্জাতিক অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল British pound। ১৯ শতকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিস্তার, London-এর আর্থিক বাজার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ব্রিটেনের অবস্থানের কারণে pound sterling ছিল বিশ্বের প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রাগুলোর একটি। কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং ব্রিটিশ অর্থনীতির দুর্বলতা ধীরে ধীরে সেই অবস্থান বদলে দেয়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও শিল্প শক্তি বাড়তে থাকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার আগেই বিশ্ব অর্থনীতির ভারসাম্য অনেকটাই বদলে গিয়েছিল। আর এই পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিক রূপ আসে Bretton Woods-এ।

Bretton Woods: ডলারের বিশ্বযাত্রার সবচেয়ে বড় মোড়

১৯৪৪ সালের জুলাই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ তখনো শেষ হয়নি, তবু ৪৪টি দেশের প্রতিনিধিরা যুক্তরাষ্ট্রের New Hampshire-এর Bretton Woods-এ জড়ো হলেন। উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধের পর এমন একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা তৈরি করা, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে পারে। এই সম্মেলন থেকেই তৈরি হয় দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান—International Monetary Fund (IMF) এবং International Bank for Reconstruction and Development (IBRD), যা পরে World Bank-এর কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠে।

Bretton Woods ব্যবস্থা ছিল মূলত একটি fixed-but-adjustable exchange-rate system। বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ডলারের সঙ্গে নির্দিষ্ট হারে যুক্ত থাকত, আর ডলার নির্দিষ্ট মূল্যে সোনার সঙ্গে যুক্ত ছিল—প্রতি ounce gold-এর দাম ৩৫ ডলার। IMF-এর ঐতিহাসিক ব্যাখ্যাতেও Bretton Woods ব্যবস্থাকে এমন একটি ব্যবস্থা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে যেখানে বিভিন্ন মুদ্রার exchange rate ডলারের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং ডলার gold-এর সঙ্গে $৩৫ প্রতি ounce হারে pegged ছিল। এখানেই ডলার পেল এক অসাধারণ সুবিধা—বিশ্বের মুদ্রাগুলো ডলারের সঙ্গে যুক্ত, আর ডলার যুক্ত সোনার সঙ্গে।

IMF ও World Bank-এর সঙ্গে ডলারের সম্পর্ক কোথায়?

এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি। IMF বা World Bank ডলারকে বিশ্বের reserve currency বানায়নি—বরং Bretton Woods-এর সময় তৈরি হওয়া আন্তর্জাতিক monetary architecture-এর অংশ হিসেবে এই প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে ওঠে। IMF-এর মূল দায়িত্ব ছিল আন্তর্জাতিক monetary system-এর স্থিতিশীলতা, exchange-rate cooperation এবং balance-of-payments সমস্যায় সহায়তা করা। অন্যদিকে World Bank-এর মূল কাজ ছিল যুদ্ধ-পরবর্তী reconstruction থেকে শুরু করে পরে developing countries-এর উন্নয়ন ও অবকাঠামোয় অর্থায়ন।

World Bank নিজেই বলছে, ১৯৪৪ সালের Bretton Woods Conference থেকেই IMF ও World Bank-এর ভিত্তি তৈরি হয়—তাদের কাজ ছিল complementary, IMF আন্তর্জাতিক monetary stability-তে এবং World Bank development ও reconstruction-এ বেশি কেন্দ্রীভূত। তাই ডলারের ইতিহাসে IMF, World Bank ও Bretton Woods একটি গুরুত্বপূর্ণ historical connection।

তাহলে আমেরিকার কাছে এত Dollar এল কীভাবে?

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র ছিল বিশ্বের অন্যতম প্রধান শিল্পশক্তি। ইউরোপের বহু অর্থনীতি যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত, অথচ যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প উৎপাদন, কৃষি, প্রযুক্তি এবং আর্থিক শক্তি তখন বিশাল। ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্ব বাড়তে থাকে। একই সময়ে বিশ্বের বহু দেশ তাদের reserve হিসেবে ডলার রাখতে শুরু করে, কারণ ডলার ছিল এমন একটি মুদ্রা যা শক্তিশালী অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং gold-এর সঙ্গে convertibility-এর নিশ্চয়তা ছিল।

এখান থেকেই তৈরি হয় একটি feedback loop: যুক্তরাষ্ট্র শক্তিশালী হলে ডলারের ওপর আস্থা বাড়ে, তখন দেশগুলো ডলার reserve রাখে, ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ডলারের ব্যবহার বাড়ে, আর তাতে ডলারের গুরুত্ব আরও বাড়ে। এই network effect পরবর্তীতে ডলারের সবচেয়ে বড় শক্তিতে পরিণত হয়।

কিন্তু এই ব্যবস্থা বেশিদিন টিকল না

সমস্যা শুরু হলো যখন বিশ্বের অর্থনীতি দ্রুত বড় হতে থাকল। বিশ্ব বাণিজ্য বাড়ছে, দেশগুলো আরও বেশি ডলার চাইছে। কিন্তু ডলার যদি gold-এর সঙ্গে নির্দিষ্ট হারে convert করা হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের gold reserve-এর ওপর চাপ তৈরি হবে। কারণ বিদেশি কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে থাকা ডলারের পরিমাণ ধীরে ধীরে যুক্তরাষ্ট্রের gold holdings-এর তুলনায় বড় হতে থাকে। এটি Bretton Woods ব্যবস্থার একটি মৌলিক tension তৈরি করে। IMF-এর ঐতিহাসিক বিশ্লেষণেও এই সমস্যাকে system-এর structural weakness হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে—বিদেশে থাকা dollar-এর পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের gold convertibility নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়।

1971: Nixon Shock

তারপর আসে ১৫ আগস্ট ১৯৭১। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Richard Nixon ঘোষণা করেন, বিদেশি সরকারগুলোর জন্য dollar-to-gold convertibility স্থগিত করা হবে। এটি ইতিহাসে Nixon Shock নামে পরিচিত। অর্থাৎ ডলার আর আগের মতো সরাসরি সোনায় রূপান্তরযোগ্য থাকল না। অনেকের মনে তখন স্বাভাবিক প্রশ্ন ছিল—তাহলে ডলারের শক্তি কি শেষ?

বাস্তবে ঘটল উল্টো কিছু। Bretton Woods-এর fixed exchange-rate ব্যবস্থা ভেঙে গেলেও ডলার আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার কেন্দ্র থেকে সরে গেল না। বরং নতুন একটি monetary system তৈরি হলো, যেখানে অধিকাংশ প্রধান মুদ্রা শেষ পর্যন্ত flexible exchange rate-এর দিকে যায়। IMF-এর ঐতিহাসিক নথি অনুযায়ী, ১৯৭০-এর দশকের শুরুতে dollar-gold link ভেঙে যাওয়ার পর বর্তমানের floating-currency ভিত্তিক আন্তর্জাতিক monetary arrangement-এর দিকে বিশ্ব এগোয়।

Gold চলে গেল, Dollar রয়ে গেল কেন?

এটাই ডলারের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর একটি। যদি ডলার আর gold-এ convertible না হয়, তাহলে কেন বিশ্ব ডলার ব্যবহার করতে থাকল? কারণ reserve currency হওয়ার জন্য শুধু gold backing যথেষ্ট নয়—আরও কিছু দরকার।

একটি বিশাল অর্থনীতি প্রয়োজন, আর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি তখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও প্রভাবশালী অর্থনীতিগুলোর একটি। প্রয়োজন গভীর financial market, যেখানে বিপুল পরিমাণ asset কেনাবেচা করা যায়। প্রয়োজন U.S. Treasury market-এর মতো dollar-denominated safe asset, যা বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বড় বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজন liquidity, যাতে বড় অঙ্কের dollar সহজে কেনাবেচা করা যায়। আর প্রয়োজন institutional confidence—U.S. legal ও financial institutions-এর ওপর দীর্ঘদিনের আস্থা।

Federal Reserve-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, U.S. financial markets-এর গভীরতা ও liquidity, অর্থনীতির আকার এবং dollar-denominated safe assets-এর বড় সরবরাহ ডলারের আন্তর্জাতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে। অর্থাৎ ডলারকে শুধু সোনা নয়, একটি বিশাল financial ecosystem সমর্থন করতে শুরু করল।

Petrodollar: তেলের সঙ্গে ডলারের সম্পর্ক

ডলারের ইতিহাসে এরপর আসে oil। ১৯৭০-এর দশকে oil economy আন্তর্জাতিক রাজনীতির কেন্দ্রে উঠে আসে। বিশ্বের অধিকাংশ দেশকে তেল আমদানি করতে হয়, আর সেই তেলের আন্তর্জাতিক মূল্য ডলারে নির্ধারিত হলে তেল কিনতে বিশ্বের দেশগুলোর ডলার প্রয়োজন হয়।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ distinction আছে। অনেক সময় বলা হয়, “বিশ্বের সব তেল শুধু ডলারে বিক্রি হয়”—এটি অতিরঞ্জিত। বরং বাস্তব বিষয় হলো, বহু দশক ধরে global oil trade-এ dollar-এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, যার ফলে energy trade-ও dollar demand-এর একটি বড় উৎস হয়েছে। তেল আমদানিকারক দেশকে dollar liquidity রাখতে হয়, তেল রপ্তানিকারক দেশ dollar আয় করে, আর সেই dollar আবার U.S. Treasury বা অন্য dollar assets-এ বিনিয়োগ হতে পারে। ফলে তৈরি হয় আরেকটি cycle—oil trade থেকে dollar demand, সেখান থেকে dollar reserves, তারপর U.S. financial assets। এই ব্যবস্থাকেই জনপ্রিয়ভাবে petrodollar system বলা হয়।

Dollar-এর সবচেয়ে বড় শক্তি: Network Effect

ধরুন, বিশ্বের ১০টি দেশ একে অপরের সঙ্গে বাণিজ্য করছে, প্রত্যেকের নিজস্ব currency আছে। প্রতিটি currency-এর সঙ্গে প্রতিটি currency exchange করতে গেলে প্রচুর pair তৈরি হবে। কিন্তু যদি সবাই একটি common vehicle currency ব্যবহার করে, তাহলে লেনদেন সহজ হয়। ডলার অনেক ক্ষেত্রে সেই vehicle currency হিসেবে কাজ করে। Federal Reserve-এর তথ্য অনুযায়ী, এমনকি দুটি দেশের currency-এর মধ্যে সরাসরি trade কম থাকলেও dollar-এর মাধ্যমে transaction করা কখনো কখনো সহজ ও কম খরচের হতে পারে।

এটি একটি self-reinforcing mechanism। সবাই ডলার ব্যবহার করে কারণ অন্যরাও ডলার ব্যবহার করে, আর অন্যরাও ব্যবহার করে কারণ ডলার ইতিমধ্যেই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত। এই চক্র ভাঙা কঠিন।

Dollar শুধু Reserve Currency নয়

ডলারের শক্তি বুঝতে শুধু central bank reserve দেখলে পুরো গল্প বোঝা যাবে না। ডলার একসঙ্গে কয়েকটি ভূমিকা পালন করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের foreign exchange reserves-এ রাখা হলে এটি reserve currency। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও financial transactions-এ ব্যবহৃত হলে এটি medium of exchange। অনেক আন্তর্জাতিক পণ্যের মূল্য dollar-এ নির্ধারিত হলে এটি unit of account। বিনিয়োগকারী ও প্রতিষ্ঠান dollar-denominated assets ধরে রাখলে এটি store of value। আর বিশ্বে সংকট তৈরি হলে বিনিয়োগকারীরা যখন dollar assets-এর দিকে যান, তখন এটি safe-haven asset। এই পাঁচটি ভূমিকা একে অন্যকে শক্তিশালী করে।

কেন U.S. Treasury এত গুরুত্বপূর্ণ?

ডলারের আধিপত্যের গল্পে Treasury market-কে বাদ দেওয়া যায় না। বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, sovereign wealth fund, institutional investor এবং financial institution-এর কাছে U.S. Treasury securities গুরুত্বপূর্ণ asset, কারণ এগুলো dollar-denominated এবং অত্যন্ত বড় ও liquid market-এর অংশ। একটি দেশের central bank যদি বিপুল foreign exchange reserve ধরে রাখতে চায়, তার জন্য এমন asset দরকার যা বড় market-এ কেনাবেচা করা যায়, দ্রুত cash-এ রূপান্তর করা যায়, আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং তুলনামূলকভাবে নিরাপদ। এই জায়গায় U.S. Treasury market-এর সুবিধা অনেক, আর এখানেই ডলার ও মার্কিন সরকারের borrowing system-এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ connection তৈরি হয়।

Dollar কি আমেরিকাকে সস্তায় ঋণ নিতে সাহায্য করে?

অনেক ক্ষেত্রে হ্যাঁ। বিশ্বজুড়ে যদি মানুষ, প্রতিষ্ঠান ও সরকার dollar assets-এর চাহিদা রাখে, তাহলে U.S. financial assets-এর জন্য একটি বড় আন্তর্জাতিক buyer base তৈরি হয়। Federal Reserve বলছে, dollar-এর international role যুক্তরাষ্ট্রের households, businesses এবং government-এর transaction ও borrowing costs কমাতে সাহায্য করে এবং U.S. assets-এর জন্য creditor ও investor base বিস্তৃত করে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ economic advantage। তবে এটিকে “ফ্রি টাকা” হিসেবে দেখা ঠিক নয়—যুক্তরাষ্ট্রেরও বড় fiscal deficit, debt servicing cost এবং financial stability-এর ঝুঁকি রয়েছে। ডলারের privilege মানে এই নয় যে অর্থনৈতিক নিয়মের বাইরে থাকা যায়।

এখানেই Dollar হয়ে ওঠে Geoeconomic Power

ডলার শুধু অর্থনৈতিক সুবিধা দেয় না—এটি যুক্তরাষ্ট্রকে একটি geoeconomic advantage-ও দেয়। কারণ আন্তর্জাতিক financial system-এর বড় অংশ dollar-based। ফলে U.S. government এবং তার allies বিভিন্ন ক্ষেত্রে financial sanctions ব্যবহার করতে পারে। যদি কোনো দেশ বা প্রতিষ্ঠান dollar-based financial system থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও অর্থায়নে বড় সমস্যা তৈরি হতে পারে। এখানে geopolitics এবং geoeconomics একে অপরের সঙ্গে মিশে যায়—একটি দেশের সামরিক শক্তি তাকে যুদ্ধ করতে সাহায্য করতে পারে, অন্যদিকে financial power কোনো দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা সীমিত করতে পারে।

তবে “ডলার নিজেই একটি অস্ত্র”—এটি একটি রাজনৈতিক shorthand। বাস্তবে sanctions-এর ক্ষমতা আসে dollar-এর সঙ্গে যুক্ত U.S. financial system, আইন, institutions এবং international networks-এর সমন্বয় থেকে।

Sanctions: ডলার কীভাবে চাপ তৈরির হাতিয়ার হয়?

যখন যুক্তরাষ্ট্র কোনো দেশ বা প্রতিষ্ঠানের ওপর financial sanctions আরোপ করে, তখন শুধু মার্কিন ব্যাংক নয়—বিশ্বের অন্যান্য financial institution-ও compliance risk বিবেচনা করে, কারণ তাদের dollar transactions-এর সঙ্গে সম্পর্ক থাকতে পারে। এতে sanctions-এর প্রভাব অনেক সময় U.S. border-এর বাইরে গিয়েও পৌঁছে। এই কারণেই dollar dominance নিয়ে debate শুধু economics-এর নয়—এটি international politics-এরও বিষয়।

তাহলে কি Dollar “weaponized”? এই প্রশ্নের উত্তর এক কথায় দেওয়া যায় না। সমালোচকদের যুক্তি হলো, dollar-based system-এর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা তৈরি হলে U.S. sanctions অন্য দেশের financial sovereignty সীমিত করতে পারে। অন্যদিকে U.S. policymakers-এর যুক্তি হলো, sanctions আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও foreign policy goals বাস্তবায়নের একটি policy instrument। যত বেশি dollar international system-এর কেন্দ্রে থাকে, তত বেশি তার geopolitical consequences তৈরি হয়।

BRICS কেন ডলারের বিকল্প খুঁজছে?

BRICS-এর কয়েকটি দেশ বহুদিন ধরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে local currency ব্যবহার, cross-border payment infrastructure এবং dollar dependence কমানোর বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করছে। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য আছে—BRICS এখনো ডলারের বিকল্প হিসেবে একটি একক reserve currency তৈরি করেনি। বরং local currencies, payment mechanisms এবং financial cooperation-এর ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ২০২৫ সালের BRICS Rio Declaration-এ member countries cross-border payments initiative নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছে এবং local currencies-এ financing-এর সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও সমর্থন জানিয়েছে। অর্থাৎ লক্ষ্যটি এখনই “ডলারকে সরিয়ে দেওয়া” নয়, বরং একটি বিকল্প payment ও settlement ecosystem তৈরি করা।

Global South কেন Dollar নিয়ে চিন্তা করে?

Global South-এর অনেক দেশের জন্য dollar-এর ওঠানামা সরাসরি অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে, কারণ তারা dollar-denominated debt, imported energy, food, machinery এবং অন্যান্য commodity-এর ওপর নির্ভর করতে পারে। ধরুন কোনো দেশের currency dollar-এর বিপরীতে দ্রুত দুর্বল হলো—তাহলে dollar-এ মূল্য নির্ধারিত পণ্য আমদানির খরচ স্থানীয় currency-তে বেড়ে যেতে পারে। একইভাবে dollar interest rate বাড়লে dollar-denominated borrowing-এর খরচও বাড়তে পারে। ফলে Federal Reserve-এর monetary policy-এর প্রভাব অনেক সময় বিশ্বের অন্য দেশের financial conditions-এ পৌঁছে যায়। এই কারণেই dollar-এর international role Global South-এর জন্য শুধু একটি academic বিষয় নয়।

G7, G20 এবং Dollar

G7 হলো বিশ্বের প্রধান উন্নত অর্থনীতিগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ political-economic grouping—যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি কানাডা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও জাপান এর সদস্য। G7 কোনো “dollar club” নয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের financial market এবং dollar-এর ভূমিকা G7-র broader economic influence-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অন্যদিকে BRICS ও Global South-এর উত্থান আন্তর্জাতিক অর্থনীতিকে আরও diversified করার আলোচনা বাড়িয়েছে—এখানেই multipolar world ধারণাটি অর্থনৈতিক অর্থ পেতে শুরু করে।

G20-তে উন্নত ও emerging economies—দুই ধরনের দেশই রয়েছে, আর বিশ্ব অর্থনীতির বড় অংশ এই group-এর দেশগুলোর সঙ্গে যুক্ত। আন্তর্জাতিক monetary system, financial stability, debt, trade এবং development নিয়ে G20 আলোচনা করে, ফলে dollar-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে যে কোনো বড় পরিবর্তন G20-এর অর্থনৈতিক বাস্তবতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে G20-ও dollar replace করার কোনো single-currency project নয়—বরং এটি বিশ্ব অর্থনীতির বৃহৎ অংশের মধ্যে policy coordination-এর একটি forum।

Dollar কি সত্যিই দুর্বল হয়ে যাচ্ছে?

এই প্রশ্নে sensational headline প্রচুর। কেউ বলেন “Dollar is dead”, কেউ বলেন “BRICS is replacing the dollar”, কেউ আবার বলেন “Dollar dominance is permanent”। তিনটিই অতিরঞ্জিত। বাস্তব চিত্র অনেক বেশি জটিল।

IMF-এর সর্বশেষ COFER data অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে global allocated reserves-এর ৫৭.১৩ শতাংশ dollar-এ ছিল। অর্থাৎ share কিছুটা ওঠানামা করলেও dollar এখনো স্পষ্টভাবে সবচেয়ে বড় reserve currency। Federal Reserve-এর ২০২৬ সালের বিশ্লেষণও বলছে, dollar এখনো foreign exchange transactions, cross-border payments, international debt এবং official reserves-এ কেন্দ্রীয় ভূমিকা ধরে রেখেছে। অতএব dollar dominance কমতে পারে, কিন্তু dollar collapse হয়েছে—এমন প্রমাণ নেই। দুটির মধ্যে বড় পার্থক্য আছে।

তাহলে Dollar-এর সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী কে?

এই প্রশ্নেরও সহজ উত্তর নেই। Euro ইতিমধ্যেই বিশ্বের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ reserve currency-গুলোর একটি, বর্তমানে বৈশ্বিক allocated reserves-এর প্রায় ২০ শতাংশ। Chinese renminbi-র ক্ষেত্রে চীন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও financial system-এ এর ব্যবহার বাড়ানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু বাস্তব সংখ্যা এখনো খুবই ছোট—IMF-এর ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের COFER তথ্য অনুযায়ী, renminbi-র শেয়ার মাত্র ১.৯৯ শতাংশ, যা ২০১৬ সালে IMF-এর SDR ঝুড়িতে যুক্ত হওয়ার পর থেকে প্রায় একই জায়গায় স্থবির রয়েছে। এটি স্পষ্ট করে দেয়, reserve currency হওয়ার জন্য শুধু বড় economy যথেষ্ট নয়—প্রয়োজন deep financial markets, capital-market openness, liquidity এবং international confidence, যেগুলো চীনের ক্ষেত্রে এখনো সীমিত।

Gold কোনো দেশের currency নয়, তবু central banks gold reserve বাড়ালে সেটি dollar diversification-এর একটি signal হতে পারে। আর digital assets-এর ক্ষেত্রে Bitcoin বা stablecoin-এর মতো সম্পদও নতুন debate তৈরি করেছে—বিশেষ করে dollar-backed stablecoin বিশ্বজুড়ে dollar-এর ব্যবহার digital economy-তে আরও বিস্তৃত করতে পারে। অর্থাৎ paradox হলো, কিছু digital technology dollar-এর বিকল্প তৈরি করতে পারে, আবার কিছু technology dollar-এর global reach আরও বাড়াতেও পারে।

Dollar বনাম Bitcoin: একই লড়াই নয়

Bitcoin-কে অনেক সময় dollar-এর বিকল্প হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, কিন্তু দুটির কাজ এখনো এক নয়। Dollar হলো রাষ্ট্র-সমর্থিত fiat currency এবং global financial system-এর কেন্দ্রীয় settlement ও reserve asset। Bitcoin decentralized digital asset। একটি দেশের central bank সাধারণত Bitcoin-কে dollar-এর মতো monetary reserve framework-এর অংশ হিসেবে ব্যবহার করে না। তবে Bitcoin-এর মতো digital assets monetary sovereignty, payment technology এবং future financial architecture নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। অন্যদিকে stablecoin-এর ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও আকর্ষণীয়—Federal Reserve-এর ২০২৬ সালের একটি conference-এ stablecoins এবং digital payments-এর কারণে dollar-এর international role কীভাবে পরিবর্তিত হতে পারে, সেটিই আলোচনার অন্যতম বিষয় ছিল।

Dollar-এর ভবিষ্যৎ কি AI বদলে দিতে পারে?

সম্ভব, তবে সরাসরি নয়। AI financial market, payment systems, fraud detection, banking এবং algorithmic trading বদলে দিতে পারে। কিন্তু dollar-এর international position নির্ধারণ করবে আরও মৌলিক বিষয়—U.S. economy, financial market depth, institutional credibility, fiscal sustainability, geopolitical stability, trade relationships, payment infrastructure ও technological leadership। অর্থাৎ AI একটি accelerator হতে পারে, কিন্তু dollar-এর ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একমাত্র কারণ নয়।

Dollar কেন এত কঠিনে প্রতিস্থাপনযোগ্য?

একটি reserve currency বদলানো মানে শুধু নতুন currency বেছে নেওয়া নয়। এর জন্য প্রয়োজন currency নিজেই, deep financial market, large safe-asset market, payment infrastructure, international trust, liquidity, legal framework এবং global trade network—এই পুরো ecosystem একসঙ্গে বদলাতে হয়। এই কারণেই dollar replace করা কঠিন। কারণ কেউ শুধু বললেই “আজ থেকে আমরা অন্য currency ব্যবহার করব”—global financial system রাতারাতি বদলে যায় না।

Dollar-এর দুর্বলতার জায়গাগুলো কী?

তবু dollar-এর সামনে ঝুঁকি নেই—এমন নয়। দীর্ঘমেয়াদি বড় fiscal deficit ও debt sustainability নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। Political uncertainty নীতিগত অস্থিরতার মাধ্যমে international confidence প্রভাবিত করতে পারে। Sanctions overuse-এর ক্ষেত্রে, যদি dollar-based sanctions খুব বেশি ব্যবহৃত হয়, কিছু দেশ বিকল্প payment channel তৈরিতে উৎসাহিত হতে পারে। Financial fragmentation-এর ঝুঁকিও আছে—বিশ্ব যদি আলাদা আলাদা geopolitical bloc-এ ভাগ হয়ে যায়, international financial network-ও fragmented হতে পারে। China ও অন্যান্য দেশ alternative payment systems ও local-currency settlement বাড়াতে পারে, আর central banks gold ও অন্যান্য currency-তে reserve diversification করতে পারে।

Federal Reserve নিজেও dollar dominance-এর সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে geopolitical fragmentation, digital assets, China-এর renminbi ব্যবহারের প্রচেষ্টা এবং policy developments-এর কথা আলোচনা করেছে।

কিন্তু Dollar-এর সবচেয়ে বড় শক্তিও রয়ে গেছে

অন্যদিকে dollar-এর পক্ষে সবচেয়ে বড় যুক্তি হলো, এর সহজ বিকল্প এখনো তৈরি হয়নি। Euro বড়, কিন্তু euro area-এর financial ও political architecture যুক্তরাষ্ট্রের মতো একক রাষ্ট্রীয় কাঠামো নয়। Renminbi গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু China-এর capital account এবং financial-market structure dollar-এর মতো নয়—আর সেই কারণেই এর reserve share এখনো ২ শতাংশের নিচে আটকে আছে। Gold নিরাপদ সম্পদ, কিন্তু gold দিয়ে modern global payment system চালানো কঠিন। Bitcoin global, কিন্তু এর volatility এবং monetary role এখনো সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাই dollar-এর সবচেয়ে বড় advantage হয়তো কোনো একটি বিশেষ feature নয়—সবগুলো feature একসঙ্গে থাকা।

Dollar এবং Multipolar World

বিশ্ব যদি এককেন্দ্রিক power structure থেকে ধীরে ধীরে multipolar world-এর দিকে যায়, তাহলে financial system-ও কি multipolar হবে? সম্ভাবনা আছে। তবে এর অর্থ necessarily dollar-এর পতন নয়। বরং হতে পারে একটি dominant dollar, তার সঙ্গে শক্তিশালী regional currencies, gold, local-currency trade এবং alternative payment systems—অর্থাৎ future financial system হতে পারে আরও diversified। IMF-এর সাম্প্রতিক তথ্যও দেখাচ্ছে, dollar এখনো সবচেয়ে বড় reserve currency হলেও central banks-এর reserve composition-এ কিছু diversification হয়েছে।

তাহলে Dollar কি বিশ্বশক্তির অস্ত্র?

হ্যাঁ—তবে শব্দটি বুঝতে হবে সতর্কভাবে। ডলার নিজে কোনো সামরিক অস্ত্র নয়, কিন্তু এর global financial role যুক্তরাষ্ট্রকে এমন অর্থনৈতিক ও financial leverage দেয়, যা foreign policy-তে ব্যবহার করা সম্ভব। আর এই leverage তৈরি হয়েছে একদিনে নয়—এর পেছনে রয়েছে British pound-এর পতন থেকে শুরু করে U.S. economic rise, Bretton Woods, IMF ও World Bank-এর প্রতিষ্ঠা, Dollar-Gold system, Nixon Shock, floating exchange rates, oil trade, U.S. Treasury market, global financial networks, sanctions, digital payments এবং সবশেষে BRICS ও নতুন financial alternatives-এর উত্থান। এই দীর্ঘ ইতিহাসই ব্যাখ্যা করে কেন আজও ডলার শুধু একটি দেশের মুদ্রা নয়—এটি আন্তর্জাতিক অর্থনীতির একটি কেন্দ্রীয় অবকাঠামো।

ভবিষ্যৎ কি Dollar-এর পতন, নাকি নতুন ভারসাম্য?

সম্ভবত সবচেয়ে বাস্তব উত্তর হলো নতুন ভারসাম্য। একটি currency হঠাৎ আরেকটি currency দিয়ে প্রতিস্থাপিত হওয়ার চেয়ে বিশ্ব অর্থনীতি ধীরে ধীরে diversified হতে পারে। Dollar তার dominant position ধরে রাখতে পারে, Euro আরও শক্তিশালী হতে পারে, China local-currency settlement বাড়াতে পারে, BRICS alternative payment mechanisms তৈরি করতে পারে, central banks gold reserve বাড়াতে পারে, আর digital payment ও stablecoin আন্তর্জাতিক লেনদেনের ধরন বদলাতে পারে।

ফলে আগামী দিনের monetary system হয়তো এমন হবে না যেখানে একটি currency সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করবে। বরং একাধিক currency, payment system ও financial centre পরস্পরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে। এটাই multipolar financial world-এর সম্ভাব্য ছবি। আর সেই ভবিষ্যতে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়তো হবে না “Dollar কি থাকবে?”—বরং “Dollar কতটা dominant থাকবে?” কারণ ২০২৬ সালের তথ্য বলছে, ডলার এখনো global reserve system-এর স্পষ্ট কেন্দ্র। কিন্তু একই সঙ্গে reserve diversification, alternative payment infrastructure এবং geopolitical fragmentation-এর আলোচনা দেখাচ্ছে—এই dominance-কে ভবিষ্যতে নতুন প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হবে।

সুতরাং ডলারের গল্প এখনো শেষ হয়নি। বরং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যে গল্প শুরু হয়েছিল, সেটি এখন ঢুকেছে নতুন অধ্যায়ে—যেখানে finance, geopolitics এবং geoeconomics একে অপরের সঙ্গে আরও গভীরভাবে জড়িয়ে যাচ্ছে।

প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

২০২৬ সালে বৈশ্বিক রিজার্ভে ডলারের অংশ কত? IMF COFER তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে বৈশ্বিক allocated reserves-এর ৫৭.১৩ শতাংশ ডলারে ছিল, যা এখনো সবচেয়ে বড় reserve currency।

Petrodollar system কী? তেলের আন্তর্জাতিক মূল্য মূলত ডলারে নির্ধারিত হওয়ার কারণে তৈরি হওয়া একটি চক্র, যেখানে তেল আমদানিকারক দেশের ডলার প্রয়োজন হয় এবং রপ্তানিকারক দেশ ডলার আয় করে, যা পরে মার্কিন financial assets-এ বিনিয়োগ হয়।

Chinese renminbi কি ডলারের বিকল্প হতে পারবে? আপাতত সম্ভাবনা কম। ২০২৬ সালের COFER তথ্য অনুযায়ী renminbi-র reserve share মাত্র প্রায় ২ শতাংশ, যা ২০১৬ সালে IMF-এর SDR ঝুড়িতে যুক্ত হওয়ার পর থেকে প্রায় অপরিবর্তিত—মূলত চীনের capital account নিয়ন্ত্রণ ও সীমিত financial-market openness-এর কারণে।

Nixon Shock কী ছিল? ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট প্রেসিডেন্ট Nixon-এর ঘোষণা, যার মাধ্যমে ডলারের gold convertibility স্থগিত করা হয় এবং Bretton Woods-এর fixed exchange rate system কার্যত শেষ হয়ে যায়।

BRICS কি ডলার প্রতিস্থাপনের চেষ্টা করছে? এখন পর্যন্ত না। BRICS মূলত local-currency trade ও বিকল্প payment infrastructure তৈরিতে মনোযোগ দিচ্ছে, কোনো একক common reserve currency তৈরির দিকে নয়।

Related Reading / Internal Link

Multipolar World কী? একমেরু বিশ্ব থেকে বহু-মেরু বিশ্বে কীভাবে গেল পৃথিবী?

Source Links


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *