Donald Trump on Nuclear attack in iran

কেন ‘আজ রাতেই’ হামলার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প? ইরান নিয়ে কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

জুলাই ২০২৬ | আন্তর্জাতিক ডেস্ক | TheBuzzLens

ইরানকে লক্ষ্য করে আবারও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ন্যাটো সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইরানে কঠোর হামলা চালিয়েছে এবং আজ রাতেও নতুন করে আঘাত হানার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন।

এই বক্তব্যের পর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন : নিজের ধারণা ভুল প্রমাণিত হতে দেখে কী বললেন ট্রাম্প? খামেনি জানাজা নিয়ে চমকপ্রদ স্বীকারোক্তি!

ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্পের বার্তা

ন্যাটো সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির উপস্থিতিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, আগের রাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর “খুব, খুবই কঠোর আঘাত” হেনেছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, ইরানকে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে এবং আজ রাতেও কঠোর হামলা চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে অবস্থান

ট্রাম্প পুনর্ব্যক্ত করেন, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ দেওয়া হবে না। তবে তিনি বলেন, তার লক্ষ্য ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন নয়। একই সঙ্গে পারমাণবিক কর্মসূচি ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে বলেও দাবি করেন।

তিনি আরও মন্তব্য করেন, ইরান এখন আর মধ্যপ্রাচ্যের ‘আধিপত্য বিস্তারকারী শক্তি’ নয় এবং দেশটির বর্তমান নেতৃত্ব সম্পর্কে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেন।

আরও পড়ুন : হোয়াইট হাউসেও হামলা চালানোর সক্ষমতা আছে’, যুক্তরাষ্ট্রকে হুমকি আইআরজিসির সাবেক কমান্ডারের

চুক্তি নাকি সংঘাত?

সাংবাদিকরা যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে গড়াতে পারে কি না—এমন প্রশ্ন তুললেও ট্রাম্প সরাসরি উত্তর দেননি। তবে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিদিন চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেন এবং বলেন, তেহরান “সবসময় মিথ্যা বলে এবং প্রতারণা করে”।

চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। তবে নতুন কোনো চুক্তি হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। তার ভাষায়, প্রয়োজনে কোনো চুক্তি ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করতে পারে।

আরও পড়ুন : ইরান ইস্যুতে ‘বাধা হলে’ ওমানে বোমা হামলার হুমকি ট্রাম্পের

বাংলাদেশে কী প্রভাব?

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়লে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, জ্বালানি বাজার এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়তে পারে। তাই এই অঞ্চলের ঘটনাপ্রবাহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

💬 আপনার মতামত জানান

ট্রাম্পের এই বক্তব্য কি উত্তেজনা আরও বাড়াবে, নাকি কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুলবে? আপনার মতামত কমেন্টে জানান। 👇

সূত্র: বিবিসি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *