গ্রামীণফোন পিএলসি রেকর্ড ডেটের আগে শেয়ারহোল্ডারদের ব্যাংক হিসাব ও টিআইএন হালনাগাদের নির্দেশ দিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত টেলিকম জায়ান্ট গ্রামীণফোন পিএলসি (জিপি) তার শেয়ারহোল্ডারদের রেকর্ড ডেটের পূর্বে ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য হালনাগাদের জন্য নির্দেশনা জারি করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে প্রকাশিত এই ঘোষণা লভ্যাংশপ্রাপ্তির প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু ও নির্ভুল রাখার লক্ষ্যেই নেওয়া হয়েছে।
বিনিয়োগকারীদের জন্য করণীয়
কোম্পানির নির্দেশনা অনুযায়ী, রেকর্ড ডেটের আগে প্রতিটি শেয়ারহোল্ডারকে তার সংশ্লিষ্ট ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্টের (ডিপি) মাধ্যমে নিম্নলিখিত তথ্য হালনাগাদ করতে হবে:
🔹ব্যাংক হিসাবের বিবরণ
🔹বর্তমান ঠিকানা
🔹সক্রিয় মোবাইল নম্বর
🔹ই-মেইল ঠিকানা
একই সময়সীমার মধ্যে বেনিফিশিয়ারি ওনার (বিও) হিসাবের সঙ্গে ১২ অঙ্কের করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) সংযুক্ত করাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই সংযুক্তিকরণ না থাকলে লভ্যাংশ প্রদান বা কর কর্তনজনিত প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হতে পারে।
মার্জিন ঋণধারী গ্রাহকদের জন্য পৃথক প্রক্রিয়া
গ্রামীণফোনের শেয়ার মার্জিন ঋণের আওতায় থাকা গ্রাহকদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে একটি পৃথক ও বিস্তারিত বিবরণী কোম্পানির শেয়ার অফিসে জমা দিতে হবে ১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখের মধ্যে। এই বিবরণীতে অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে:
🔹শেয়ারহোল্ডারের নাম ও বিও আইডি নম্বর
🔹গ্রাহকভিত্তিক শেয়ার ধারণের পরিমাণ
🔹মোট প্রাপ্য লভ্যাংশ
🔹প্রযোজ্য করহার ও কর কর্তনের পর নিট প্রাপ্য লভ্যাংশ
🔹দায়িত্বপ্রাপ্ত যোগাযোগ ব্যক্তির নাম
এ ছাড়া ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে তাদের নিজস্ব ব্যাংক হিসাবের নাম, হিসাব নম্বর ও রাউটিং নম্বরসহ প্রাসঙ্গিক ব্যাংকিং তথ্যও কোম্পানির কাছে সরবরাহ করতে বলা হয়েছে।
বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্ব
এ ধরনের তথ্য হালনাগাদ সাধারণত রেকর্ড ডেট ও লভ্যাংশ বণ্টন প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতির অংশ। বিও হিসাবের সঙ্গে সঠিক ব্যাংক তথ্য ও টিআইএন সংযুক্ত না থাকলে লভ্যাংশ বিতরণে বিলম্ব বা জটিলতা তৈরি হতে পারে, এবং কর কর্তনের হারেও প্রভাব পড়তে পারে। তাই বিনিয়োগকারীদের উচিত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই নিজ নিজ ডিপির সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই ও হালনাগাদ সম্পন্ন করা।
