ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক বৃদ্ধির প্রতীকী চিত্র

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসই ও সিএসই উভয় বাজারেই সূচকের উত্থান হয়েছে।

এক দিনের দর সংশোধনের পর আবার ঊর্ধ্বমুখী দেশের শেয়ারবাজার। ডিএসইর সব সূচক বেড়েছে, তবে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ।

দিনের দর সংশোধনের পর ঘুরে দাঁড়াল শেয়ারবাজার, ডিএসইএক্স সূচক বাড়ল ১৬.৭২ পয়েন্ট

এক কার্যদিবসের দর সংশোধনের পর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের শেয়ারবাজারে আবারও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সবকটি প্রধান সূচক বেড়েছে। তবে সূচকের উত্থান হলেও আগের দিনের তুলনায় টাকার অঙ্কে লেনদেন কমেছে। একই সঙ্গে লেনদেনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে।

ডিএসইতে সব সূচকের উত্থান

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১৬ দশমিক ৭২ পয়েন্ট বেড়ে দিন শেষে ৫ হাজার ৮৯৫ দশমিক ৫৮ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এছাড়া—

🔹ডিএসইএস (শরিয়াহ সূচক): ৩.৩০ পয়েন্ট বেড়ে ১,১৯৫.২৪ পয়েন্ট

🔹ডিএসই-৩০: ৬.৪৯ পয়েন্ট বেড়ে ২,২১৭.২২ পয়েন্ট

কোন প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ল?

দিনভর ডিএসইতে ৩৯২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে—

🔹দাম বেড়েছে: ১৭৪টির

🔹দাম কমেছে: ৬৩টির

🔹অপরিবর্তিত ছিল: ৫৫টির

এতে বোঝা যায়, দিনের লেনদেনে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম ঊর্ধ্বমুখী ছিল।

সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেন

বৃহস্পতিবার ডিএসইতে মোট ১ হাজার ৪৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

এর আগের কার্যদিবসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৩৪২ কোটি ৫১ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে লেনদেন প্রায় ২৯৯ কোটি টাকা কমেছে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও ইতিবাচক ধারা

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)-এও সূচকের উত্থান হয়েছে।

সিএএসপিআই সূচক: ৪৭.৩১ পয়েন্ট বেড়ে ১৫,৭৬০.৩৬ পয়েন্ট

সিএসইতে মোট ২৩৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে—

🔸দাম বেড়েছে: ১০৮টির

🔸দাম কমেছে: ৯৪টির

🔸অপরিবর্তিত: ৩৭টির

এদিন সিএসইতে ৪৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের ৩৭ কোটি ৭ লাখ টাকা থেকে বেশি।

বাজার পর্যবেক্ষণ

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ারবাজারে স্বাভাবিক ওঠানামা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। একদিন দর সংশোধনের পর পরবর্তী কার্যদিবসে সূচক ঘুরে দাঁড়ানোয় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আগের মতো উদ্বেগ দেখা যাচ্ছে না। অনেক বিনিয়োগকারী লোকসানে শেয়ার বিক্রি না করে বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

b


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *