দিল্লির আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে
ভারতের বিভিন্ন স্থানে চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রিপাবলিক বাংলার সাংবাদিক ও উপস্থাপক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ফেসবুক ও এক্স (সাবেক টুইটার)-এ অনেক ব্যবহারকারী তাঁর সাম্প্রতিক প্রকাশ্য উপস্থিতি বা মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
বাংলাদেশের ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বিভিন্ন টেলিভিশন আলোচনা ও মন্তব্যের কারণে ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ আলোচনায় ছিলেন। সেই প্রেক্ষাপট টেনে এনে অনেক সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারী প্রশ্ন করছেন, ভারতের বর্তমান আন্দোলনের সময় তাঁর প্রকাশ্য অবস্থান বা বিশ্লেষণ কেন তেমনভাবে সামনে আসছে না।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে তাঁকে নিয়ে নানা ধরনের দাবি ও মন্তব্য করা হচ্ছে। তবে এসব পোস্টের অনেকগুলোর পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য বা আনুষ্ঠানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বিশেষ করে তিনি “নিখোঁজ”, “আত্মগোপনে আছেন” বা তাঁকে “খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না”—এ ধরনের দাবির সত্যতা নিশ্চিত করার মতো কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। একইভাবে তিনি এসব বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেছেন কি না, সেটিও সংশ্লিষ্ট সময় পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সাংবাদিকতা বিশ্লেষকদের মতে, কোনো সাংবাদিক বা উপস্থাপকের নির্দিষ্ট একটি ইস্যুতে প্রকাশ্যে মন্তব্য না করাই তিনি নিখোঁজ বা কোনো ঘটনার শিকার হয়েছেন—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর ভিত্তি হতে পারে না। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া দাবি যাচাই না করে প্রচার করলে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
ভারতের চলমান আন্দোলন নিয়ে দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ করছে। তবে ময়ূখ রঞ্জন ঘোষকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে যে দাবিগুলো ছড়িয়েছে, সেগুলোর পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, ময়ূখ রঞ্জন ঘোষকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা রয়েছে, কিন্তু তাঁকে নিয়ে প্রচারিত বিভিন্ন জল্পনা বা দাবির স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য যাচাই এখনো পাওয়া যায়নি।
