Baruipur-Child-MurderCase-SuvenduAdhikari

তিনজন গ্রেপ্তার হলেও থামছে না প্রশ্ন, ঠিক কী ঘটেছিল সূর্যপুরের সেই রাতে?

৮ জুলাই |বারুইপুর, পশ্চিমবঙ্গ | TheBuzzLens

পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুরে ১১ বছর বয়সি এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার পর তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও পুলিশের প্রাথমিক তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা।

তদন্তে যা উঠে এসেছে :
পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী কিশোরীকে একটি ঝুপড়িতে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয় এবং পরে তার লাশ রেললাইনের পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদনে আঘাতের একাধিক চিহ্ন পাওয়া গেছে, তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত হবে চূড়ান্ত ফরেনসিক প্রতিবেদনের পর। এ পর্যন্ত আনন্দ সর্দার, প্রভাস মণ্ডল ও দিবাকর সর্দার নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন :
রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক সিদ্ধনাথ গুপ্ত মঙ্গলবার বারুইপুরে গিয়ে তদন্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং লাশ উদ্ধারের স্থান পরিদর্শন করেন। পুলিশের প্রতিক্রিয়ায় বিলম্বের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন তিনি। নিহতের মা দ্রুত ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

রাজনৈতিক উত্তাপ :
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় বিক্ষোভ দেখা দিলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আইন হাতে তুলে নিলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। রেললাইন অবরোধ ও পুলিশের গাড়ি পোড়ানোর ঘটনাকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে সরকার মূল ঘটনার প্রতিবাদকে ছাপিয়ে দিতে চাইছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কালীঘাটের বাড়িতেই কার্যত অন্তরীণ রাখা হয়, মোমবাতি মিছিল করলেও তাকে ঘটনাস্থলে যেতে দেয়নি প্রশাসন।

💬 আপনার মতামত জানান
পুলিশের ভূমিকা ও প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া নিয়ে আপনার মতামত কী?
জানান কমেন্টে 👇

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *