Netanyahu-Modi-Diplomacy যুক্তরাষ্ট্র একমাত্র মিত্র নয়! ভারতকে টেনে ভ্যান্সে

০৫ জুলাই ২০২৬ | ওয়াশিংটন | TheBuzzLens
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের মন্তব্যকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু — যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের একমাত্র শক্তিশালী মিত্র নয়, পাশে রয়েছে ভারতসহ অনেক দেশ।
নেতানিয়াহুর পাল্টা বার্তা :
রবিবার ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হলেও ভারত থেকেও ব্যাপক সমর্থন পায় তারা। তার দাবি, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যা সমালোচনা প্রকাশ্যে শোনা যায়, বাস্তবে বিশ্বের অনেক দেশ এখনো ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে।
ভারতের প্রতি প্রশংসা, ফেসবুক ‘প্রমাণ’ :
নেতানিয়াহু বলেন, ভারত একটি বিশাল দেশ যেখানে ১৪০ কোটি মানুষ বাস করে এবং তিনি সেখান থেকে অসাধারণ সমর্থন পান। তিনি ফেসবুকে ভারতীয় জনগণের সমর্থনের অসংখ্য বার্তার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি বলেন, জেডি ভ্যান্সকে তিনি সম্মান করেন এবং তার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রয়েছে, তবে তার সব বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন।
ভ্যান্সের মন্তব্য ও নেতানিয়াহুর প্রতিক্রিয়া :
গত মাসে হোয়াইট হাউসে একটি ব্রিফিংয়ে জেডি ভ্যান্স বলেছিলেন, ইসরায়েলের উচিত তাদের “একমাত্র শক্তিশালী মিত্র” যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে আক্রমণাত্মক অবস্থান না নেওয়া। এই মন্তব্য আসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান শান্তি আলোচনা নিয়ে। সেই প্রেক্ষাপটে নেতানিয়াহু এখন জানান, ইসরায়েলের শক্তিশালী মিত্র শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়।
বিশ্বব্যাপী গোপন সমর্থনের ‘খবর’ :
নেতানিয়াহু দাবি করেন, বিভিন্ন দেশের নেতারা তার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করেন এবং নিরাপত্তা, সামরিক কৌশল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সাইবার নিরাপত্তার মতো খাতে ইসরায়েলের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা চান। তার ভাষ্যে, অনেক নেতা বলেন, নিজেদের দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় তারা প্রকাশ্যে সব সময় অবস্থান জানাতে পারেন না, কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে ইসরায়েলকে সম্মান করেন ও সহযোগিতায় আগ্রহী।
প্রযুক্তিতে দাবিদারিত্ব, ট্রাম্পের সাথে আসন্ন বৈঠক:
নেতানিয়াহু জানান, সাইবার প্রযুক্তিতে ইসরায়েল বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ এবং এই উন্নত প্রযুক্তির কারণে অনেক দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক আরো জোরদার করতে চায়। এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেতানিয়াহু ট্রাম্পের সাথে হোয়াইট হাউসে বৈঠকের অনুরোধ জানিয়েছেন। ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পর এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে, যা আগামী সপ্তাহে হতে পারে বলে জানা যায়।
ইসরায়েল-ভারত সম্পর্কের এই স্পষ্ট উচ্চারণ দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে এবং বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যীয় সংঘাতে আঞ্চলিক শক্তিভারসাম্যের নতুন গতিশীলতা তৈরি করতে পারে।
💬 আপনার মতামত জানান
নেতানিয়াহুর এই কূটনৈতিক টিপ্পণী ও ট্রাম্পের সাথে আসন্ন বৈঠক নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?
জানান কমেন্টে 👇
