
[০২ জুলাই ২০২৬ | ঢাকা | TheBuzzLens ড
ছবি : সংগ্রহীত
রান্নাঘরের বাজেটে বড় স্বস্তি! ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দাম আরেক দফা কমেছে। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি সিলিন্ডারে এবার কমেছে ৩৫৭ টাকা।
নতুন দাম কত হলো?
আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নতুন এই দাম ঘোষণা করেছে, যা কার্যকর হবে আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে। প্রতি কেজিতে কমেছে ২৯ টাকা ৭৬ পয়সা, ফলে ১২ কেজি সিলিন্ডারের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫২৮ টাকা। এর আগের মাসেও দাম কমেছিল ৫৫ টাকা — অর্থাৎ টানা দুই মাস ধরেই এলপিজির দামে স্বস্তির ধারা অব্যাহত। প্রতি কেজি এলপিজির দাম এখন ১২৭ টাকা ৩০ পয়সা, যা আগে ছিল ১৫৭ টাকা ৬ পয়সা।
কেন কমল দাম?
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ থামার পর থেকেই বিশ্ববাজারে এলপিজির দাম নিম্নমুখী হতে শুরু করে। এলপিজির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেনের দাম নির্ধারণ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো, যা সৌদি সিপি নামে পরিচিত। এই সৌদি সিপিকে ভিত্তি ধরেই প্রতি মাসে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। এছাড়া আমদানিকারক কোম্পানির চালান মূল্য থেকে ডলারের গড় দামও হিসাবে নেওয়া হয়।
বাজারে বাস্তব চিত্র কী?
তবে ঘোষিত দামের সঙ্গে বাজারের বাস্তবতায় ফারাক থেকেই যাচ্ছে। বিইআরসি প্রতি মাসে দাম নির্ধারণ করলেও বাজারে সেই নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। গৃহস্থালির কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি সিলিন্ডারেও বিক্রেতারা বাড়তি দাম নিচ্ছেন বলে অভিযোগ আছে। এদিকে সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, আর অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটারে কমে হয়েছে ৭০ টাকা ৪০ পয়সা, যা আগে ছিল ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা।
বাংলাদেশে কী প্রভাব?
২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। দাম কমার এই ধারা অব্যাহত থাকলে সাধারণ গৃহস্থালি ব্যবহারকারীদের মাসিক খরচে সরাসরি স্বস্তি মিলবে। তবে বাজারে বাস্তব বিক্রয়মূল্য নির্ধারিত দামের সঙ্গে না মেলায় ভোক্তাদের প্রকৃত সুফল কতটা মিলবে, তা নিয়ে থেকে যাচ্ছে প্রশ্ন।
💬 আপনার মতামত জানান
আপনার এলাকায় কি নির্ধারিত দামে এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে? মতামত জানান কমেন্টে 👇
ধাপ